ইউটিউবের চমকপ্রদ ১০ তথ্য | Nasimul Ahsan
নভেম্বর ১৭, ২০১৯

ইউটিউবের চমকপ্রদ ১০ তথ্য

 

ইউটিউব পৃথিবীর অন্যতম ভিডিও শেয়ারিং সাইট। ২০০৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ইউটিউব বিশ্বের অসংখ্য মানুষের যাপিত জীবনের অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে। গেলো বছর ইউটিউবে কি কি ঘটেছে? চলুন জেনে নেই সেসবের মধ্যে সেরা ১০টি অবাক করা তথ্য ।

১. ২০১৭ সাল পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে ইউটিউবের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিলো ১,৩০০, ০০০,০০০ জন, যার মাত্র ২০ ভাগ মানুষ আমেরিকায় বসবাস করেন।

২. প্রতি মুহূর্তে অসংখ্য নতুন-পুরাতন ইউটিউব নতুন নতুন ভিডিও আপলোড করছেন। গেল বছর প্রতিমিনিটে ইউটিউবে আপলোড হয়েছে ৩০০ ঘন্টা ভিডিও।

৩. স্মার্টফোন আছে, অথচ ইউটিউবে ভিডিও দেখেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। প্রতিদিন ইউটিউবে কমপক্ষে ৫ বিলিয়ন ভিডিও দেখেন ইউসাররা।

৪. ইউটিউবে সারা মাসে কত ঘন্টা ভিডিও দেখেন দর্শকেরা? হ্যা, সংখ্যাটা সত্যিই অভাবনীয়। ২০১৭ সালে গড়ে প্রতি মাসে ইউটিউবে প্রায় ৩.২৫ বিলিয়ন ঘন্টা ভিডিও দেখেছেন চ্যানেলটির ইউসাররা ।

৫. ইউটিউবে নারী ইউসারের চেয়ে এগিয়ে আছেন পুরুষেরা। গোটা পৃথিবীতে ইউটিউবের নারী ইউসারের অনুপাত যেখানে ৩৮ ভাগ, সেখানে পুরুষ ইউসারের অনুপাত ৬২ শতাংশ।

৬. ইউটিউব ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি ভিডিও দেখেন স্মার্টফোনের মাধ্যমে। অনুপাতটা অর্ধেকের বেশি । প্রতিদিন কেবল মোবাইলের মাধ্যমেই ১,000,000,000 বার ইউটিউব দেখেন এর ইউসাররা।

৭. যারা ইউটিউবার হিসেবে ভিডিও তৈরি করছেন, তাদের জন্য এই পরিসংখ্যানটা বেশ জরুরি। ২০ ভাগের বেশি মানুষ ইউটিউবে ভিডিও দেখা শুরুর পর মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে সেটি দেখা বন্ধ করে নতুন কোন ভিডিও খুঁজতে শুরু করে। তাই ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই আকর্ষণীয় বিষয় ও ইনট্রো তৈরির দিকে নজর দেয়া আবশ্যক।

৮. ইউটিউব পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য বছরে গুগলকে ব্যয় করতে হয় ৬, ৩৫০, ০০০, ০০০ ডলার। অন্যদিকে ইউটিউব থেকে বাৎসরিক আয় গড়ে ৪,000,000,000 ডলার ।

৯. রায়ান টয়স রিভিউ হচ্ছে মাত্র ৬ বছর বয়সি এক শিশুর চ্যানেল, যেটা দিয়ে শিশুটি ২০১৭ সালে ২০১৭ সালে ১১ লাখ ডলার টাকা আয় করেছে।

১০. `ইউটিউব কিডস’ নামে সম্প্রতি শিশু কিশোরদের জন্য একটি আলাদা অ্যাপ তৈরি করেছে ইউটিউব। শিশুদের জন্য নিরাপদ ভিডিও সরবরাহ করার জন্যই মূলত এ কাজটি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নাসিমূল আহসান

শিক্ষা উদ্যোক্তা ও ই-লার্নিং পরামর্শক । প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে সহকারী প্রশিক্ষক ও এটুআই-পিআইবি ই-লার্নিং কার্যক্রমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া ই-লার্নিং বিষয়ক কমিউনিটি প্লাটফর্ম ই-লার্নিং বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা। ডিজিটাল লিটারেসি, সাংবাদিকতা, শিক্ষাপ্রযুক্তি, পাটশিল্প প্রভৃতি আগ্রহের জায়গা।

সকল লেখা দেখুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

সাবস্ক্রাইব করুন

0 Shares
Copy link
Powered by Social Snap